ঢাকা ০৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা: পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিতে ‘জাতিগত নিধনের’ অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৭:১০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটি এসব বসতি থেকে পণ্য আমদানি ও সংশ্লিষ্ট কিছু সেবার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। ব্রিটিশ সরকার পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতাকে ‘জাতিগত নিধন’ বলে অভিযোগ করেছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড এ পদক্ষেপের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ এবং বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে হুমকির মুখে ফেলছে।

নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে আসা পণ্য এবং এসব বসতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু নির্মাণ ও আর্থিক সেবা অন্তর্ভুক্ত হবে। ব্রিটিশ সরকারের দাবি, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ বন্ধে চাপ সৃষ্টি করা, পুরো ইসরায়েলের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করা নয়।

বিশেষ করে পশ্চিম তীরের ই-১ এলাকায় ইসরায়েলের নতুন বসতি প্রকল্প নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ সরকারের মতে, ওই এলাকায় বসতি সম্প্রসারণ হলে পশ্চিম তীরের ভৌগোলিক সংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং এতে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।

যুক্তরাজ্যের এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে ইসরায়েল। দেশটির কয়েকজন মন্ত্রী ব্রিটিশ পদক্ষেপের পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও ব্রিটিশ সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। তবে যুক্তরাজ্য বলছে, ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা: পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিতে ‘জাতিগত নিধনের’ অভিযোগ

আপলোড সময় : ০৭:১০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটি এসব বসতি থেকে পণ্য আমদানি ও সংশ্লিষ্ট কিছু সেবার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। ব্রিটিশ সরকার পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতাকে ‘জাতিগত নিধন’ বলে অভিযোগ করেছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড এ পদক্ষেপের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ এবং বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে হুমকির মুখে ফেলছে।

নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে আসা পণ্য এবং এসব বসতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু নির্মাণ ও আর্থিক সেবা অন্তর্ভুক্ত হবে। ব্রিটিশ সরকারের দাবি, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ বন্ধে চাপ সৃষ্টি করা, পুরো ইসরায়েলের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করা নয়।

বিশেষ করে পশ্চিম তীরের ই-১ এলাকায় ইসরায়েলের নতুন বসতি প্রকল্প নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ সরকারের মতে, ওই এলাকায় বসতি সম্প্রসারণ হলে পশ্চিম তীরের ভৌগোলিক সংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং এতে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।

যুক্তরাজ্যের এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে ইসরায়েল। দেশটির কয়েকজন মন্ত্রী ব্রিটিশ পদক্ষেপের পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও ব্রিটিশ সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। তবে যুক্তরাজ্য বলছে, ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন