ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হিলিতে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ৫৮ বছর বয়সী দাদা গ্রেফতার

  • আপলোড সময় : ০৬:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • / ২০২ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুরের হিলিতে খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে ৫৮ বছর বয়সী সাজ্জাদ হোসেনকে গ্রেফতার করেছে হাকিমপুর থানা পুলিশ। রবিবার (২৮ জুন) দুপুরে বৈগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত সাজ্জাদ হোসেন মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে।

হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেন জানান, শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে এবং খাওয়া-দাওয়ার জন্য বাসায় আসা-যাওয়া করে। রবিবার দুপুরে মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে সাজ্জাদ হোসেন তাকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে তার বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির শরীরে ও যৌনাঙ্গে হাত দেয় এবং ধর্ষণের চেষ্টা করে, তবে শিশুটি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শিশুর দেরির কারণ জানতে চাইলে সে কিছু বলতে পারেনি। পরে অন্য এক শিক্ষার্থী ঘটনাটি জানালে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শিশুর পরিবারের কাছে বিষয়টি পৌঁছে দেয়। ঘটনার পর সাজ্জাদ হোসেন পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হিলিতে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ৫৮ বছর বয়সী দাদা গ্রেফতার

আপলোড সময় : ০৬:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

দিনাজপুরের হিলিতে খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে ৫৮ বছর বয়সী সাজ্জাদ হোসেনকে গ্রেফতার করেছে হাকিমপুর থানা পুলিশ। রবিবার (২৮ জুন) দুপুরে বৈগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত সাজ্জাদ হোসেন মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে।

হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেন জানান, শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে এবং খাওয়া-দাওয়ার জন্য বাসায় আসা-যাওয়া করে। রবিবার দুপুরে মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে সাজ্জাদ হোসেন তাকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে তার বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির শরীরে ও যৌনাঙ্গে হাত দেয় এবং ধর্ষণের চেষ্টা করে, তবে শিশুটি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শিশুর দেরির কারণ জানতে চাইলে সে কিছু বলতে পারেনি। পরে অন্য এক শিক্ষার্থী ঘটনাটি জানালে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শিশুর পরিবারের কাছে বিষয়টি পৌঁছে দেয়। ঘটনার পর সাজ্জাদ হোসেন পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন