ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার খামেনির জানাজা কারবালায় অনুষ্ঠিত হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৪:১০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • / ২০২ বার পড়া হয়েছে

ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও শেষ বিদায়ের প্রস্তুতি চলছে। ৮৬ বছর বয়সে তিনি ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এই শোকানুষ্ঠানটি দেশটির ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ হতে পারে।

খামেনির দাফন ও জানাজার আয়োজন ছয়টি শহরে অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে ইরাকের পবিত্র শহর কারবালাও অন্তর্ভুক্ত। শিয়া মুসলিমদের জন্য কারবালা একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র স্থান।

সূচিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৪ এপ্রিল তেহরানের নির্মাণাধীন ইমাম খোমেনি মসজিদ কমপ্লেক্সে তার মরদেহ প্রথমে রাখা হবে। এরপর ৬ এপ্রিল তেহরানের প্রধান সড়কগুলোতে শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। ৭ এপ্রিল মরদেহ কোমে নেওয়া হবে, এরপর নাজাফ ও কারবালায় শোকযাত্রা চলবে।

৯ জুলাই খামেনির মরদেহ তার জন্মস্থান মাশহাদে নেওয়া হবে এবং সেখানেই তাকে দাফন করা হবে। আয়োজকরা ধারণা করছেন, এই রাষ্ট্রীয় জানাজায় দেশ-বিদেশ থেকে দুই কোটিরও বেশি মানুষ অংশ নেবেন।

বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ অংশ নেবেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তার অংশগ্রহণ অনিশ্চিত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার খামেনির জানাজা কারবালায় অনুষ্ঠিত হবে

আপলোড সময় : ০৪:১০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও শেষ বিদায়ের প্রস্তুতি চলছে। ৮৬ বছর বয়সে তিনি ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এই শোকানুষ্ঠানটি দেশটির ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ হতে পারে।

খামেনির দাফন ও জানাজার আয়োজন ছয়টি শহরে অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে ইরাকের পবিত্র শহর কারবালাও অন্তর্ভুক্ত। শিয়া মুসলিমদের জন্য কারবালা একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র স্থান।

সূচিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৪ এপ্রিল তেহরানের নির্মাণাধীন ইমাম খোমেনি মসজিদ কমপ্লেক্সে তার মরদেহ প্রথমে রাখা হবে। এরপর ৬ এপ্রিল তেহরানের প্রধান সড়কগুলোতে শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। ৭ এপ্রিল মরদেহ কোমে নেওয়া হবে, এরপর নাজাফ ও কারবালায় শোকযাত্রা চলবে।

৯ জুলাই খামেনির মরদেহ তার জন্মস্থান মাশহাদে নেওয়া হবে এবং সেখানেই তাকে দাফন করা হবে। আয়োজকরা ধারণা করছেন, এই রাষ্ট্রীয় জানাজায় দেশ-বিদেশ থেকে দুই কোটিরও বেশি মানুষ অংশ নেবেন।

বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ অংশ নেবেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তার অংশগ্রহণ অনিশ্চিত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন