ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালিতে বিদ্রোহীদের হামলায় ৫০ সেনা নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৭:০৮:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • / ২০৭ বার পড়া হয়েছে

মালির উত্তরাঞ্চলের আনেফিস শহরে বিদ্রোহী তুয়ারেগ গোষ্ঠীর হামলায় অন্তত ৫০ জন সেনা নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৯ জুলাই) সেনাবাহিনীর একটি বহরে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে, যা সাম্প্রতিক সময়ে মালির সেনাবাহিনীর ওপর সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা বলে মনে করা হচ্ছে।

স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এএফপি জানায়, হামলায় আরও অন্তত ২৪ জন সেনাকে বন্দি করা হয়েছে। হামলার দায় স্বীকার করেছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী এফএলএ। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আনেফিস শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ চলছিল।

চলতি মাসের শুরুতে তুয়ারেগ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এফএলএ অল্প সময়ের জন্য আনেফিসের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং মালির সেনাবাহিনী ও রাশিয়ান আফ্রিকা কর্পসের ব্যবহৃত একটি সামরিক ঘাঁটি ঘিরে ফেলে।

মালির সেনাবাহিনীর এক সদস্য জানান, নিহতদের মধ্যে কয়েকজনকে আটক করার পর সরাসরি হত্যা করা হয়েছে। হামলার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে।

এদিকে, হামলার সময় রাশিয়ান আফ্রিকা কর্পসের সদস্যরা গাও শহরে পৌঁছে যাওয়ায় তাদের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গেছে। সেনাবাহিনী হামলার বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে, তবে হতাহতের সংখ্যা উল্লেখ করেনি।

২০২০ ও ২০২১ সালে দুটি সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মালি সামরিক সরকারের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও দেশটির জান্তা সরকার এখনো বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মালিতে বিদ্রোহীদের হামলায় ৫০ সেনা নিহত

আপলোড সময় : ০৭:০৮:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

মালির উত্তরাঞ্চলের আনেফিস শহরে বিদ্রোহী তুয়ারেগ গোষ্ঠীর হামলায় অন্তত ৫০ জন সেনা নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৯ জুলাই) সেনাবাহিনীর একটি বহরে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে, যা সাম্প্রতিক সময়ে মালির সেনাবাহিনীর ওপর সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা বলে মনে করা হচ্ছে।

স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এএফপি জানায়, হামলায় আরও অন্তত ২৪ জন সেনাকে বন্দি করা হয়েছে। হামলার দায় স্বীকার করেছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী এফএলএ। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আনেফিস শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ চলছিল।

চলতি মাসের শুরুতে তুয়ারেগ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এফএলএ অল্প সময়ের জন্য আনেফিসের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং মালির সেনাবাহিনী ও রাশিয়ান আফ্রিকা কর্পসের ব্যবহৃত একটি সামরিক ঘাঁটি ঘিরে ফেলে।

মালির সেনাবাহিনীর এক সদস্য জানান, নিহতদের মধ্যে কয়েকজনকে আটক করার পর সরাসরি হত্যা করা হয়েছে। হামলার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে।

এদিকে, হামলার সময় রাশিয়ান আফ্রিকা কর্পসের সদস্যরা গাও শহরে পৌঁছে যাওয়ায় তাদের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গেছে। সেনাবাহিনী হামলার বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে, তবে হতাহতের সংখ্যা উল্লেখ করেনি।

২০২০ ও ২০২১ সালে দুটি সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মালি সামরিক সরকারের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও দেশটির জান্তা সরকার এখনো বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন