ঢাকা ১০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যুবক হত্যার ঘটনায় ৯ জন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৮:২০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • / ২০৩ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের উখিয়ার জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা যুবক আব্দুল হাফেজ হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামিসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান (এপিবিএন)। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার পর মরদেহ গুম করতে একটি সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়েছিল।

৮ এপিবিএন-এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ বুধবার (২২ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলমান রয়েছে। গ্রেপ্তারদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি 'তদন্তের স্বার্থে'।

জানা গেছে, গত ২২ জুন রাতে আব্দুল হাফেজ (২০) বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলা দেখতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। রাত গভীর হলেও তিনি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজ করতে শুরু করেন। পরদিন বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হয়।

৮ এপিবিএন-এর সদস্যরা নিখোঁজের ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। গত শনিবার রাত ৯টার দিকে ক্যাম্পের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে আব্দুল হাফেজের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের বড় ভাই মো. জমিনুর রহমান বাদী হয়ে উখিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কয়েকজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যুবক হত্যার ঘটনায় ৯ জন গ্রেপ্তার

আপলোড সময় : ০৮:২০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ার জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা যুবক আব্দুল হাফেজ হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামিসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান (এপিবিএন)। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার পর মরদেহ গুম করতে একটি সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়েছিল।

৮ এপিবিএন-এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ বুধবার (২২ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলমান রয়েছে। গ্রেপ্তারদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি 'তদন্তের স্বার্থে'।

জানা গেছে, গত ২২ জুন রাতে আব্দুল হাফেজ (২০) বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলা দেখতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। রাত গভীর হলেও তিনি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজ করতে শুরু করেন। পরদিন বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হয়।

৮ এপিবিএন-এর সদস্যরা নিখোঁজের ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। গত শনিবার রাত ৯টার দিকে ক্যাম্পের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে আব্দুল হাফেজের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের বড় ভাই মো. জমিনুর রহমান বাদী হয়ে উখিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কয়েকজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন