ঢাকা ০৪:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাহুল গান্ধীর বিক্ষোভে কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৩:১২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের কাছে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বিক্ষোভের পর ভারতের বিরোধী দলগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে। বিরোধী দলগুলো অভিযোগ করছে যে, ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এই পরিস্থিতিকে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।

রাহুল গান্ধীকে বিক্ষোভস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে আটক করার পর আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতারা কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিজেপির সঙ্গে ‘তাল মিলিয়ে চলার’ অভিযোগ তোলেন। তাদের মতে, কংগ্রেসের বিক্ষোভে সরকার দ্রুত সাড়া দিলেও, অন্য আন্দোলনের ক্ষেত্রে একই ধরনের উদ্যোগ দেখা যায়নি।

এ ধরনের মন্তব্যের ফলে আম আদমি পার্টি (এএপি) সমালোচনার মুখে পড়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কীর্তি আজাদ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহারকারীরা তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন যে, এএপি চলমান আন্দোলনকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।

এএপি সাংসদ সঞ্জয় সিং এক্সে লিখেছেন, সিজেপির আন্দোলনকে দুর্বল করতেই মোদি রাহুল গান্ধীকে বিক্ষোভে বসিয়েছেন। টিএমসি সাংসদ কীর্তি আজাদ এ মন্তব্যের জবাবে বলেন, এটি তার কাছ থেকে প্রত্যাশিত ছিল না।

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন বিরোধী দলগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাতে রূপ নিয়েছে। বিজেপি অভিযোগ করেছে যে, কংগ্রেস ও এএপি উভয় দলই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে নির্বাচনি স্বার্থে ব্যবহার করছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাহুল গান্ধীর বিক্ষোভে কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত

আপলোড সময় : ০৩:১২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের কাছে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বিক্ষোভের পর ভারতের বিরোধী দলগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে। বিরোধী দলগুলো অভিযোগ করছে যে, ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এই পরিস্থিতিকে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।

রাহুল গান্ধীকে বিক্ষোভস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে আটক করার পর আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতারা কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিজেপির সঙ্গে ‘তাল মিলিয়ে চলার’ অভিযোগ তোলেন। তাদের মতে, কংগ্রেসের বিক্ষোভে সরকার দ্রুত সাড়া দিলেও, অন্য আন্দোলনের ক্ষেত্রে একই ধরনের উদ্যোগ দেখা যায়নি।

এ ধরনের মন্তব্যের ফলে আম আদমি পার্টি (এএপি) সমালোচনার মুখে পড়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কীর্তি আজাদ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহারকারীরা তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন যে, এএপি চলমান আন্দোলনকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।

এএপি সাংসদ সঞ্জয় সিং এক্সে লিখেছেন, সিজেপির আন্দোলনকে দুর্বল করতেই মোদি রাহুল গান্ধীকে বিক্ষোভে বসিয়েছেন। টিএমসি সাংসদ কীর্তি আজাদ এ মন্তব্যের জবাবে বলেন, এটি তার কাছ থেকে প্রত্যাশিত ছিল না।

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন বিরোধী দলগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাতে রূপ নিয়েছে। বিজেপি অভিযোগ করেছে যে, কংগ্রেস ও এএপি উভয় দলই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে নির্বাচনি স্বার্থে ব্যবহার করছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন