ঢাকা ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংগ্রাম ও সাফল্যের প্রতীক অনন্যা খাতুনের গবেষণা যাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ১০:০০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • / ২০২ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার উজগ্রাম দক্ষিণপাড়া ইউনিয়নের মণ্ডলপাড়ার মেয়ে মোছা. অনন্যা খাতুন সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার দ্য ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড (UQ)-এ পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি গবেষণার সুযোগ অর্জন করেছেন। এই সাফল্য তাঁর কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের ফল।

অনন্যার শৈশব কাটে একটি সাধারণ পরিবারে। বাবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং মা গৃহিণী। পরিবারের আর্থিক সংকটের মধ্যেও তিনি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি অর্জন করেন, যা তাঁর শিক্ষাজীবনের সূচনা করে।

২০১১ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনের পর তিনি বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজে ভর্তি হন এবং ২০১৩ সালে একই ফলাফল নিয়ে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। এরপর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে অসাধারণ ফলাফল অর্জন করেন।

বর্তমানে তিনি হাবিপ্রবির কৃষি অনুষদের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন এবং গবেষণার ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। তাঁর ১৩টি গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

অনন্যা খাতুন বলেন, "স্বপ্ন সব সময় বড় দেখতে হয়, আর সেই স্বপ্ন পূরণ করতে হলে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, তাঁর গবেষণা কৃষি খাতে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করবে এবং দেশের জন্য ইতিবাচক অবদান রাখবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংগ্রাম ও সাফল্যের প্রতীক অনন্যা খাতুনের গবেষণা যাত্রা

আপলোড সময় : ১০:০০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার উজগ্রাম দক্ষিণপাড়া ইউনিয়নের মণ্ডলপাড়ার মেয়ে মোছা. অনন্যা খাতুন সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার দ্য ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড (UQ)-এ পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি গবেষণার সুযোগ অর্জন করেছেন। এই সাফল্য তাঁর কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের ফল।

অনন্যার শৈশব কাটে একটি সাধারণ পরিবারে। বাবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং মা গৃহিণী। পরিবারের আর্থিক সংকটের মধ্যেও তিনি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি অর্জন করেন, যা তাঁর শিক্ষাজীবনের সূচনা করে।

২০১১ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনের পর তিনি বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজে ভর্তি হন এবং ২০১৩ সালে একই ফলাফল নিয়ে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। এরপর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে অসাধারণ ফলাফল অর্জন করেন।

বর্তমানে তিনি হাবিপ্রবির কৃষি অনুষদের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন এবং গবেষণার ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। তাঁর ১৩টি গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

অনন্যা খাতুন বলেন, "স্বপ্ন সব সময় বড় দেখতে হয়, আর সেই স্বপ্ন পূরণ করতে হলে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, তাঁর গবেষণা কৃষি খাতে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করবে এবং দেশের জন্য ইতিবাচক অবদান রাখবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন