ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে ১৬ হাজার কোটি, আসিফের বিরুদ্ধে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ১১:০০:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২৩৪ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা ওয়াসার সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধির অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পটির শুরুতে অনুমোদিত ব্যয় ছিল ৪ হাজার ৫৯৭ কোটি টাকা, যা প্রথম সংশোধনে বেড়ে ৭ হাজার ৫১৮ কোটি টাকায় পৌঁছায়। পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফায় প্রকল্পটির ব্যয় ১৬ হাজার ১৪ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

এতে প্রকল্পটির ব্যয় মূল অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় প্রায় ১১ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা বেড়েছে। উল্লেখ্য, প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ছিল ১০ শতাংশেরও কম, যা ব্যয় বৃদ্ধির সময়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নাম অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দায়িত্ব পালনের সময় অনৈতিক সুবিধা নিয়ে প্রকল্পটির ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনও প্রমাণিত হয়নি।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করতে পারে। দুদকের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এসেছে এবং এসব অভিযোগের তদন্তের জন্য একটি দল গঠন করা হয়েছে।

এখন প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে ৪ হাজার ৫৯৭ কোটি টাকার প্রকল্প ১৬ হাজার ১৪ কোটি টাকায় পৌঁছাল এবং কাজের অগ্রগতি কম থাকা অবস্থায় ব্যয় বৃদ্ধির যৌক্তিকতা কী ছিল।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে ১৬ হাজার কোটি, আসিফের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপলোড সময় : ১১:০০:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা ওয়াসার সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধির অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পটির শুরুতে অনুমোদিত ব্যয় ছিল ৪ হাজার ৫৯৭ কোটি টাকা, যা প্রথম সংশোধনে বেড়ে ৭ হাজার ৫১৮ কোটি টাকায় পৌঁছায়। পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফায় প্রকল্পটির ব্যয় ১৬ হাজার ১৪ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

এতে প্রকল্পটির ব্যয় মূল অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় প্রায় ১১ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা বেড়েছে। উল্লেখ্য, প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ছিল ১০ শতাংশেরও কম, যা ব্যয় বৃদ্ধির সময়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নাম অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দায়িত্ব পালনের সময় অনৈতিক সুবিধা নিয়ে প্রকল্পটির ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনও প্রমাণিত হয়নি।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করতে পারে। দুদকের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এসেছে এবং এসব অভিযোগের তদন্তের জন্য একটি দল গঠন করা হয়েছে।

এখন প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে ৪ হাজার ৫৯৭ কোটি টাকার প্রকল্প ১৬ হাজার ১৪ কোটি টাকায় পৌঁছাল এবং কাজের অগ্রগতি কম থাকা অবস্থায় ব্যয় বৃদ্ধির যৌক্তিকতা কী ছিল।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন