ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এনসিপি নেতাদের বিরুদ্ধে হোটেল ভাড়া না দেওয়ার অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ০৪:১০:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পাঁচ নেতা রাজধানীর ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড হোটেলে প্রায় আট মাস ধরে অবস্থান করে ভাড়া পরিশোধ না করার অভিযোগ উঠেছে। হ…

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পাঁচ নেতা রাজধানীর ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড হোটেলে প্রায় আট মাস ধরে অবস্থান করে ভাড়া পরিশোধ না করার অভিযোগ উঠেছে। হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি, এই নেতারা হোটেলে নানা অশ্লীল কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং বকেয়া ভাড়া হিসেবে ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২০০ টাকা পরিশোধ করেননি।

হোটেল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, এনসিপির নেতাদের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার, সাদেক মির্জা, মিরাসাত হোসেন হিমেল, শাখাওয়াত হোসেন ও তাওসীপ উল্লেখযোগ্য। শাহরিয়ার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সদস্য সচিব এবং তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা হোটেলের ৭২৫ ও ৭২৭ নম্বর কক্ষ দুটি ব্যবহার করেন।

হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি, বুকিংয়ের সময় ১০ হাজার টাকা অগ্রিম পরিশোধ করা হলেও পরবর্তী সময়ে আর কোনো ভাড়া পরিশোধ করা হয়নি। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, এনসিপির নেতাদের বিরুদ্ধে নারীদের আনাগোনা এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকারও অভিযোগ রয়েছে।

হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা এই বিষয়ে এনসিপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন এবং বকেয়া টাকা আদায় না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, সংগঠনের শৃঙ্খলা কমিটি বিষয়টি তদন্ত করছে এবং রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এনসিপি নেতাদের বিরুদ্ধে হোটেল ভাড়া না দেওয়ার অভিযোগ

আপলোড সময় : ০৪:১০:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পাঁচ নেতা রাজধানীর ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড হোটেলে প্রায় আট মাস ধরে অবস্থান করে ভাড়া পরিশোধ না করার অভিযোগ উঠেছে। হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি, এই নেতারা হোটেলে নানা অশ্লীল কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং বকেয়া ভাড়া হিসেবে ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২০০ টাকা পরিশোধ করেননি।

হোটেল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, এনসিপির নেতাদের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার, সাদেক মির্জা, মিরাসাত হোসেন হিমেল, শাখাওয়াত হোসেন ও তাওসীপ উল্লেখযোগ্য। শাহরিয়ার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সদস্য সচিব এবং তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা হোটেলের ৭২৫ ও ৭২৭ নম্বর কক্ষ দুটি ব্যবহার করেন।

হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি, বুকিংয়ের সময় ১০ হাজার টাকা অগ্রিম পরিশোধ করা হলেও পরবর্তী সময়ে আর কোনো ভাড়া পরিশোধ করা হয়নি। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, এনসিপির নেতাদের বিরুদ্ধে নারীদের আনাগোনা এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকারও অভিযোগ রয়েছে।

হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা এই বিষয়ে এনসিপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন এবং বকেয়া টাকা আদায় না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, সংগঠনের শৃঙ্খলা কমিটি বিষয়টি তদন্ত করছে এবং রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন