ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদন দৈনিক ১ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে

  • আপলোড সময় : ০৯:৩২:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অপরিশোধিত তেলের উৎপাদন বেড়ে দৈনিক ১ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে। চলতি মাসের শুরুতে উৎপাদন ছিল ১ কোটি ৪৬ লাখ ব্যারেল, যা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নরওয়েভিত্তিক জ্বালানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিস্টাড এনার্জি বলছে, বছরের শেষ নাগাদ পুরো অঞ্চলের তেল উৎপাদন যুদ্ধের আগের স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে।

রিস্টাড এনার্জি জানিয়েছে, শান্তি আলোচনায় অপ্রত্যাশিত অগ্রগতির কারণে উৎপাদন তিন মাস আগেই স্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে। তবে কিছু পাল্টাপাল্টি হামলার খবর এসেছে, তবুও বাজারের পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক। প্রতিষ্ঠানটি সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখা উৎপাদন স্বাভাবিক করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

রিস্টাড এনার্জির পূর্বাভাস অনুসারে, সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ যুদ্ধের কারণে বন্ধ থাকা তেল উৎপাদন দৈনিক ২০ লাখ ব্যারেলের নিচে নেমে আসবে। বর্তমানে এই পরিমাণ প্রায় ৯৬ লাখ ব্যারেল, যা তিন সপ্তাহ আগে ছিল ১ কোটি ১৭ লাখ ব্যারেল। গবেষণা পরিচালক আদিত্য সারস্বত জানান, ইরান দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে এবং তাদের উৎপাদন বর্তমানে ২৪ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। আগস্টের মধ্যে এটি ৩১ লাখ এবং বছর শেষে ৩৩ লাখ ব্যারেলে পৌঁছানোর আশা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের উৎপাদন বৃদ্ধি যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। ওয়াশিংটন যদি আগস্টের পরও ইরানের তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল না করে, তাহলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদন দৈনিক ১ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে

আপলোড সময় : ০৯:৩২:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অপরিশোধিত তেলের উৎপাদন বেড়ে দৈনিক ১ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে। চলতি মাসের শুরুতে উৎপাদন ছিল ১ কোটি ৪৬ লাখ ব্যারেল, যা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নরওয়েভিত্তিক জ্বালানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিস্টাড এনার্জি বলছে, বছরের শেষ নাগাদ পুরো অঞ্চলের তেল উৎপাদন যুদ্ধের আগের স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে।

রিস্টাড এনার্জি জানিয়েছে, শান্তি আলোচনায় অপ্রত্যাশিত অগ্রগতির কারণে উৎপাদন তিন মাস আগেই স্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে। তবে কিছু পাল্টাপাল্টি হামলার খবর এসেছে, তবুও বাজারের পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক। প্রতিষ্ঠানটি সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখা উৎপাদন স্বাভাবিক করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

রিস্টাড এনার্জির পূর্বাভাস অনুসারে, সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ যুদ্ধের কারণে বন্ধ থাকা তেল উৎপাদন দৈনিক ২০ লাখ ব্যারেলের নিচে নেমে আসবে। বর্তমানে এই পরিমাণ প্রায় ৯৬ লাখ ব্যারেল, যা তিন সপ্তাহ আগে ছিল ১ কোটি ১৭ লাখ ব্যারেল। গবেষণা পরিচালক আদিত্য সারস্বত জানান, ইরান দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে এবং তাদের উৎপাদন বর্তমানে ২৪ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। আগস্টের মধ্যে এটি ৩১ লাখ এবং বছর শেষে ৩৩ লাখ ব্যারেলে পৌঁছানোর আশা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের উৎপাদন বৃদ্ধি যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। ওয়াশিংটন যদি আগস্টের পরও ইরানের তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল না করে, তাহলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন