ঢাকা ০৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে চীন, ভারতকে কড়া বার্তা বেইজিংয়ের

  • আপলোড সময় : ০৭:৫৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে (টিআরসিএমআরপি) বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন। বেইজিং স্পষ্ট করেছে, বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয় এবং বাইরের কোনো প্রভাবমুক্ত থাকা উচিত।

বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, ‘চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়।’ তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সহযোগিতা তৃতীয় পক্ষের প্রভাবমুক্ত থাকা উচিত।

ভারতের উদ্বেগের কারণ হিসেবে তিস্তা অববাহিকার অবস্থান উল্লেখ করা হয়েছে, যা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কাছে। গুও জিয়াকুন বলেন, তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এবং চীন এ প্রকল্প বাস্তবায়নে যথাসাধ্য সহায়তা দিতে প্রস্তুত।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, তিস্তা প্রকল্পের বিষয়ে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও চীনের বিশেষজ্ঞরা যৌথভাবে একটি কারিগরি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করবেন। তিনি জানান, উভয় দেশ একমত হয়েছে এবং সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় প্রকল্পটি যৌক্তিক প্রমাণিত হলে চীন সর্বোচ্চ সহায়তা দেবে।

ঢাকা ও বেইজিং ইতোমধ্যে তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা জোরদারে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বিডব্লিউডিবি) ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পাওয়ারচায়নার মধ্যে সমঝোতার মেয়াদ বাড়ানোর চুক্তি সই হয়, যা প্রকল্পের বাস্তবায়নকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে চীন, ভারতকে কড়া বার্তা বেইজিংয়ের

আপলোড সময় : ০৭:৫৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে (টিআরসিএমআরপি) বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন। বেইজিং স্পষ্ট করেছে, বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয় এবং বাইরের কোনো প্রভাবমুক্ত থাকা উচিত।

বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, ‘চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়।’ তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সহযোগিতা তৃতীয় পক্ষের প্রভাবমুক্ত থাকা উচিত।

ভারতের উদ্বেগের কারণ হিসেবে তিস্তা অববাহিকার অবস্থান উল্লেখ করা হয়েছে, যা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কাছে। গুও জিয়াকুন বলেন, তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এবং চীন এ প্রকল্প বাস্তবায়নে যথাসাধ্য সহায়তা দিতে প্রস্তুত।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, তিস্তা প্রকল্পের বিষয়ে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও চীনের বিশেষজ্ঞরা যৌথভাবে একটি কারিগরি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করবেন। তিনি জানান, উভয় দেশ একমত হয়েছে এবং সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় প্রকল্পটি যৌক্তিক প্রমাণিত হলে চীন সর্বোচ্চ সহায়তা দেবে।

ঢাকা ও বেইজিং ইতোমধ্যে তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা জোরদারে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বিডব্লিউডিবি) ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পাওয়ারচায়নার মধ্যে সমঝোতার মেয়াদ বাড়ানোর চুক্তি সই হয়, যা প্রকল্পের বাস্তবায়নকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন