ঢাকা ১১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ১৮ (ক) ধারা বাতিলের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

  • আপলোড সময় : ০৭:৪৪:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ২০৪ বার পড়া হয়েছে

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্যে ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ‘বিতর্কিত’ ১৮(ক) ধারা বাদ দেওয়ার ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, ‘অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে সরকার ধারাটি বিলোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের বার্তা স্পষ্ট— যারা জনগণের সম্পদ লুট করেছেন, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। অন্যদিকে আমানতকারীদের আমানতের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।’

গত ১০ এপ্রিল বিএনপি সরকার অন্তর্বর্তী সরকারের করা ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করে, যেখানে ১৮(ক) নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়। এই আইনের ১৮(এ) ধারা অনুযায়ী, একীভূত হওয়া ব্যাংকের সাবেক মালিকরা সহজ শর্তে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার সুযোগ পান।

আইন অনুযায়ী, সাবেক পরিচালক বা মালিকেরা সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া মূলধন সহায়তার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ অগ্রিম পরিশোধ করে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাবেন এবং বাকি ৯২ দশমিক ৫ শতাংশ অর্থ দুই বছরের মধ্যে ১০ শতাংশ সরল সুদে পরিশোধ করতে হবে। নতুন ধারাটি যুক্ত হওয়ার পর বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে অভিযোগ ওঠে যে, বিতর্কিত ব্যবসায়ীদের হাতে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দিতে এই ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ১৮ (ক) ধারা বাতিলের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

আপলোড সময় : ০৭:৪৪:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্যে ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ‘বিতর্কিত’ ১৮(ক) ধারা বাদ দেওয়ার ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, ‘অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে সরকার ধারাটি বিলোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের বার্তা স্পষ্ট— যারা জনগণের সম্পদ লুট করেছেন, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। অন্যদিকে আমানতকারীদের আমানতের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।’

গত ১০ এপ্রিল বিএনপি সরকার অন্তর্বর্তী সরকারের করা ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করে, যেখানে ১৮(ক) নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়। এই আইনের ১৮(এ) ধারা অনুযায়ী, একীভূত হওয়া ব্যাংকের সাবেক মালিকরা সহজ শর্তে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার সুযোগ পান।

আইন অনুযায়ী, সাবেক পরিচালক বা মালিকেরা সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া মূলধন সহায়তার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ অগ্রিম পরিশোধ করে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাবেন এবং বাকি ৯২ দশমিক ৫ শতাংশ অর্থ দুই বছরের মধ্যে ১০ শতাংশ সরল সুদে পরিশোধ করতে হবে। নতুন ধারাটি যুক্ত হওয়ার পর বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে অভিযোগ ওঠে যে, বিতর্কিত ব্যবসায়ীদের হাতে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দিতে এই ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন