ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীন থেকে কাঁঠাল রপ্তানির আগ্রহ, বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা

  • আপলোড সময় : ১২:২১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • / ২০৭ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরে বাংলাদেশ থেকে কাঁঠাল রপ্তানির বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। চীন বাংলাদেশ থেকে কাঁঠাল আমদানিতে আগ্রহী হলেও এটি নতুন নয়। গত বছরের মে মাসে চীন প্রথমবার কাঁচা আম আমদানি শুরু করার সময় কাঁঠাল ও পেয়ারার মতো ফল আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, সফরে দুই দেশের মধ্যে মোট ১৭টি এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মধ্যে কাঁঠাল রপ্তানির বিষয়টিও রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কাঁঠাল রপ্তানির প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের পর্যায়ে পৌঁছেছে। কৃষি অর্থনীতিবিদ ও রপ্তানিকারকদের মতে, চীনে কাঁঠাল রপ্তানির সুযোগ দেশের কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কাঁঠাল আমদানিকারক চীন, যার চাহিদার বড় অংশ ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড থেকে পূরণ হয়। বাংলাদেশ কাঁঠাল উৎপাদনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও বৈশ্বিক বাজারে দেশের অংশগ্রহণের হার মাত্র ০.৩ শতাংশ। প্রতি বছর বাংলাদেশে আট থেকে ১০ লাখ টন কাঁঠাল উৎপাদিত হয়, কিন্তু অভ্যন্তরীণ চাহিদা কম থাকায় এর ৪৫ শতাংশ নষ্ট হয়।

বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-বেজড প্রোডাক্ট প্রডিউসারস অ্যান্ড মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, কাঁঠাল দিয়ে তৈরি পণ্য কয়েকটি দেশে রপ্তানি হচ্ছে, তবে চীনে রপ্তানির ক্ষেত্রে কিছু ঝুঁকি রয়েছে। কৃষি অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, সরকারের এ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো উচিত এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ঢোকার আগে পণ্যের মান ও প্রসেসিংয়ের বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চীন থেকে কাঁঠাল রপ্তানির আগ্রহ, বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা

আপলোড সময় : ১২:২১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরে বাংলাদেশ থেকে কাঁঠাল রপ্তানির বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। চীন বাংলাদেশ থেকে কাঁঠাল আমদানিতে আগ্রহী হলেও এটি নতুন নয়। গত বছরের মে মাসে চীন প্রথমবার কাঁচা আম আমদানি শুরু করার সময় কাঁঠাল ও পেয়ারার মতো ফল আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, সফরে দুই দেশের মধ্যে মোট ১৭টি এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মধ্যে কাঁঠাল রপ্তানির বিষয়টিও রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কাঁঠাল রপ্তানির প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের পর্যায়ে পৌঁছেছে। কৃষি অর্থনীতিবিদ ও রপ্তানিকারকদের মতে, চীনে কাঁঠাল রপ্তানির সুযোগ দেশের কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কাঁঠাল আমদানিকারক চীন, যার চাহিদার বড় অংশ ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড থেকে পূরণ হয়। বাংলাদেশ কাঁঠাল উৎপাদনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও বৈশ্বিক বাজারে দেশের অংশগ্রহণের হার মাত্র ০.৩ শতাংশ। প্রতি বছর বাংলাদেশে আট থেকে ১০ লাখ টন কাঁঠাল উৎপাদিত হয়, কিন্তু অভ্যন্তরীণ চাহিদা কম থাকায় এর ৪৫ শতাংশ নষ্ট হয়।

বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-বেজড প্রোডাক্ট প্রডিউসারস অ্যান্ড মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, কাঁঠাল দিয়ে তৈরি পণ্য কয়েকটি দেশে রপ্তানি হচ্ছে, তবে চীনে রপ্তানির ক্ষেত্রে কিছু ঝুঁকি রয়েছে। কৃষি অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, সরকারের এ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো উচিত এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ঢোকার আগে পণ্যের মান ও প্রসেসিংয়ের বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন