ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জে মুরগির বিষ্ঠার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে

  • আপলোড সময় : ০১:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় নর্থ পোল্ট্রি (প্রা.) লিমিটেডের একটি লেয়ার মুরগির খামারের বর্জ্যের দুর্গন্ধে স্থানীয়রা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। খামারের বর্জ্য যত্রতত্র ফেলে রাখায় জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।

চাঁদখানা ইউনিয়নের উত্তর চাঁদখানা চরকবন চারমাথা এলাকায় অবস্থিত এই খামারে প্রায় এক লাখ ৭০ হাজার লেয়ার মুরগি রয়েছে, যা প্রতিদিন দুই থেকে তিন টন বিষ্ঠা উৎপন্ন করে। স্থানীয় কৃষক তোফায়েল মিয়া জানান, বিষ্ঠার দুর্গন্ধে কাজ করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। অনেকেই এই সড়ক এড়িয়ে চলছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা তহুজা বেগম বলেন, দুর্গন্ধ এতটাই তীব্র যে মুখ ঢেকেও সহ্য করা যায় না। খামারের আশপাশের বাসিন্দাদের অভিযোগ, তারা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

ম্যানেজার সিরাজ মিয়া জানান, বর্ষাকালে দুর্গন্ধ বেশি হয় এবং সমস্যা কমাতে বায়োগ্যাস ও কম্পোস্ট প্ল্যান্ট নির্মাণের কাজ চলছে। চাঁদখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার লিখিতভাবে জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নীল রতন দেব জানান, মুরগির বিষ্ঠায় থাকা জীবাণু ডায়রিয়া, বমি ও জ্বরের কারণ হতে পারে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, বিষয়টি জানার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কিশোরগঞ্জে মুরগির বিষ্ঠার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে

আপলোড সময় : ০১:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় নর্থ পোল্ট্রি (প্রা.) লিমিটেডের একটি লেয়ার মুরগির খামারের বর্জ্যের দুর্গন্ধে স্থানীয়রা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। খামারের বর্জ্য যত্রতত্র ফেলে রাখায় জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।

চাঁদখানা ইউনিয়নের উত্তর চাঁদখানা চরকবন চারমাথা এলাকায় অবস্থিত এই খামারে প্রায় এক লাখ ৭০ হাজার লেয়ার মুরগি রয়েছে, যা প্রতিদিন দুই থেকে তিন টন বিষ্ঠা উৎপন্ন করে। স্থানীয় কৃষক তোফায়েল মিয়া জানান, বিষ্ঠার দুর্গন্ধে কাজ করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। অনেকেই এই সড়ক এড়িয়ে চলছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা তহুজা বেগম বলেন, দুর্গন্ধ এতটাই তীব্র যে মুখ ঢেকেও সহ্য করা যায় না। খামারের আশপাশের বাসিন্দাদের অভিযোগ, তারা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

ম্যানেজার সিরাজ মিয়া জানান, বর্ষাকালে দুর্গন্ধ বেশি হয় এবং সমস্যা কমাতে বায়োগ্যাস ও কম্পোস্ট প্ল্যান্ট নির্মাণের কাজ চলছে। চাঁদখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার লিখিতভাবে জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নীল রতন দেব জানান, মুরগির বিষ্ঠায় থাকা জীবাণু ডায়রিয়া, বমি ও জ্বরের কারণ হতে পারে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, বিষয়টি জানার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন