ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্রে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০৫:১৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর তিনি সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন।

পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান উল্লেখ করেন, নিট-ইউজি পরীক্ষায় অনিয়মের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সরকার দ্রুত কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই) দিয়ে তদন্ত শুরু করে এবং পরীক্ষা বাতিল করে পুনঃপরীক্ষার আয়োজন করে। তিনি জানান, আগামী বছর থেকে কম্পিউটারভিত্তিক (সিবিটি) পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

ধর্মেন্দ্র প্রধান দাবি করেন, তিনি ঘটনার শুরু থেকেই দায়িত্ব স্বীকার করেছেন এবং কখনো পরিস্থিতি এড়িয়ে যাননি। তার লক্ষ্য ছিল, পরীক্ষা জালিয়াতি চক্রের কারণে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

তিনি ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর পুনঃপরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। ১৬ জুলাই প্রকাশিত পুনঃপরীক্ষার ফলাফলে দরিদ্র ও প্রান্তিক পরিবারের শিক্ষার্থীদের সাফল্য তাকে সন্তুষ্ট করেছে বলে জানান।

পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান অভিযোগ করেন, কিছু দায়িত্বশীল ব্যক্তি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন, যা তাকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি এবং তাদের ভবিষ্যৎ আইনি জটিলতায় না পড়ে পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারে—এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্রে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

আপলোড সময় : ০৫:১৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর তিনি সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন।

পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান উল্লেখ করেন, নিট-ইউজি পরীক্ষায় অনিয়মের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সরকার দ্রুত কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই) দিয়ে তদন্ত শুরু করে এবং পরীক্ষা বাতিল করে পুনঃপরীক্ষার আয়োজন করে। তিনি জানান, আগামী বছর থেকে কম্পিউটারভিত্তিক (সিবিটি) পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

ধর্মেন্দ্র প্রধান দাবি করেন, তিনি ঘটনার শুরু থেকেই দায়িত্ব স্বীকার করেছেন এবং কখনো পরিস্থিতি এড়িয়ে যাননি। তার লক্ষ্য ছিল, পরীক্ষা জালিয়াতি চক্রের কারণে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

তিনি ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর পুনঃপরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। ১৬ জুলাই প্রকাশিত পুনঃপরীক্ষার ফলাফলে দরিদ্র ও প্রান্তিক পরিবারের শিক্ষার্থীদের সাফল্য তাকে সন্তুষ্ট করেছে বলে জানান।

পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান অভিযোগ করেন, কিছু দায়িত্বশীল ব্যক্তি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন, যা তাকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি এবং তাদের ভবিষ্যৎ আইনি জটিলতায় না পড়ে পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারে—এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন