ঢাকা ১০:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় অভুক্ত প্রাণীদের খাদ‍্য দিলেন জবি ছাত্রদলনেতা শাহরিয়ার

রাকিবুল হাসান রাকিব (ক্যাম্পাস প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)
রাকিবুল হাসান রাকিব (ক্যাম্পাস প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)
  • আপলোড সময় : ১১:৩১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / ৬৫৬ বার পড়া হয়েছে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদ-উল-আযহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে থাকা ক্যাম্পাসে অভুক্ত কুকুর ও বিড়ালদের খাবার খাইয়ে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন জবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহরিয়ার হোসেন।

আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদের সামনে তিনি নিজ হাতে প্রাণীদের খাবার খাওয়ান।

ক্যাম্পাসে ঘুরে বেড়ানো অভুক্ত কুকুর ও বিড়ালদের প্রতি শাহরিয়ারের এই মানবিক উদ্যোগ উপস্থিত সকলের নজর কেড়েছে। তীব্র গরম এবং খাদ্যের অভাবে যখন অনেক প্রাণীই ধুঁকছে, ঠিক তখনই শাহরিয়ারের এই মহৎ কাজটি প্রাণীপ্রেমীদের মধ্যে আশার আলো জাগিয়েছে।

এ বিষয়ে শাহরিয়ার হোসেন জানান, “ক্যাম্পাসে প্রায়ই দেখি অনেক কুকুর-বিড়াল না খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। তাদের কষ্ট দেখে আমার খুব খারাপ লাগে। তাই আজ তাদের জন্য কিছু খাবারের ব্যবস্থা করেছি। আমাদের সকলেরই উচিত এসব অবলা প্রাণীর প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া।”

তাঁর এই উদ্যোগ ক্যাম্পাসের অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরও প্রাণী কল্যাণে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে বলে আশা করছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় অভুক্ত প্রাণীদের খাদ‍্য দিলেন জবি ছাত্রদলনেতা শাহরিয়ার

আপলোড সময় : ১১:৩১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদ-উল-আযহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে থাকা ক্যাম্পাসে অভুক্ত কুকুর ও বিড়ালদের খাবার খাইয়ে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন জবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহরিয়ার হোসেন।

আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদের সামনে তিনি নিজ হাতে প্রাণীদের খাবার খাওয়ান।

ক্যাম্পাসে ঘুরে বেড়ানো অভুক্ত কুকুর ও বিড়ালদের প্রতি শাহরিয়ারের এই মানবিক উদ্যোগ উপস্থিত সকলের নজর কেড়েছে। তীব্র গরম এবং খাদ্যের অভাবে যখন অনেক প্রাণীই ধুঁকছে, ঠিক তখনই শাহরিয়ারের এই মহৎ কাজটি প্রাণীপ্রেমীদের মধ্যে আশার আলো জাগিয়েছে।

এ বিষয়ে শাহরিয়ার হোসেন জানান, “ক্যাম্পাসে প্রায়ই দেখি অনেক কুকুর-বিড়াল না খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। তাদের কষ্ট দেখে আমার খুব খারাপ লাগে। তাই আজ তাদের জন্য কিছু খাবারের ব্যবস্থা করেছি। আমাদের সকলেরই উচিত এসব অবলা প্রাণীর প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া।”

তাঁর এই উদ্যোগ ক্যাম্পাসের অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরও প্রাণী কল্যাণে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে বলে আশা করছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন