ঢাকা ০৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমতলীতে বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

  • আপলোড সময় : ১০:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • / ২০৭ বার পড়া হয়েছে

বরগুনার আমতলীতে কমিটির রেজুলেশন ও টেন্ডার ছাড়াই বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে, প্রধান শিক্ষক নিপা আক্তার নিজে দাঁড়িয়ে থেকে স্থানীয় লেবার দিয়ে ৬-৭টি মেহগনি গাছ কাটিয়েছেন। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সরেজমিনে দেখা গেছে, গুলিশাখালী ইউনিয়নের ডালাচারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭টি গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। তবে পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে কাটা গাছগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা জানান, কেটে ফেলা গাছগুলোর মূল্য আনুমানিক ২০ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে অবহিত করেছেন। তারা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

প্রধান শিক্ষক নিপা আক্তারের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং পরবর্তীতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইউএনও মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি জেনেছি; তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আমতলীতে বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আপলোড সময় : ১০:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

বরগুনার আমতলীতে কমিটির রেজুলেশন ও টেন্ডার ছাড়াই বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে, প্রধান শিক্ষক নিপা আক্তার নিজে দাঁড়িয়ে থেকে স্থানীয় লেবার দিয়ে ৬-৭টি মেহগনি গাছ কাটিয়েছেন। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সরেজমিনে দেখা গেছে, গুলিশাখালী ইউনিয়নের ডালাচারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭টি গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। তবে পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে কাটা গাছগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা জানান, কেটে ফেলা গাছগুলোর মূল্য আনুমানিক ২০ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে অবহিত করেছেন। তারা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

প্রধান শিক্ষক নিপা আক্তারের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং পরবর্তীতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইউএনও মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি জেনেছি; তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন