ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে চা দোকানে এইচএসসি খাতা মূল্যায়ন, শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ০২:০৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২০১ বার পড়া হয়েছে

সিলেটে একটি চা দোকানে বসে চলমান উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের পাশে অবস্থিত চা দোকান থেকে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের ১ বস্তা খাতা জব্দ করেছে সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, জব্দ হওয়া উত্তরপত্রগুলোর পরীক্ষক সিলেটের মেট্রোসিটি ওমেন্স কলেজের প্রভাষক ইকবাল হোসেন সোহান। তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইকবাল হোসেন কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে ওই চা দোকানে বসে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করছিলেন।

শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা ও পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তরপত্রগুলো জব্দ করেন। পরে অভিযুক্ত শিক্ষককে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় থানায় যান তারা। জালালাবাদ থানার ওসি শামসুল হাবিব জানান, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান থানায় আসছেন এবং একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক ইকবাল হোসেন দাবি করেছেন, সেখানে কোনো খাতা মূল্যায়ন করা হয়নি এবং তিনি কুরিয়ার করতে নিয়ে যাওয়ার পথে উত্তরপত্রগুলো গুছিয়ে নিচ্ছিলেন। সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিন বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি অনেক ব্যস্ত আছি। পরে কথা বলবো।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেটে চা দোকানে এইচএসসি খাতা মূল্যায়ন, শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ

আপলোড সময় : ০২:০৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

সিলেটে একটি চা দোকানে বসে চলমান উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের পাশে অবস্থিত চা দোকান থেকে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের ১ বস্তা খাতা জব্দ করেছে সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, জব্দ হওয়া উত্তরপত্রগুলোর পরীক্ষক সিলেটের মেট্রোসিটি ওমেন্স কলেজের প্রভাষক ইকবাল হোসেন সোহান। তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইকবাল হোসেন কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে ওই চা দোকানে বসে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করছিলেন।

শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা ও পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তরপত্রগুলো জব্দ করেন। পরে অভিযুক্ত শিক্ষককে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় থানায় যান তারা। জালালাবাদ থানার ওসি শামসুল হাবিব জানান, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান থানায় আসছেন এবং একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক ইকবাল হোসেন দাবি করেছেন, সেখানে কোনো খাতা মূল্যায়ন করা হয়নি এবং তিনি কুরিয়ার করতে নিয়ে যাওয়ার পথে উত্তরপত্রগুলো গুছিয়ে নিচ্ছিলেন। সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিন বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি অনেক ব্যস্ত আছি। পরে কথা বলবো।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন