ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা মঙ্গলবার, শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা

  • আপলোড সময় : ০২:০৮:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ২০১ বার পড়া হয়েছে

একুশে পদকপ্রাপ্ত কিংবদন্তি চিত্রশিল্পী ও নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) অনুষ্ঠিত হবে। এ তথ্য জানিয়েছেন তার ছেলে সাদাত মনোয়ার।

সোমবার (২৯ জুন) বেলা ১১টায় হাসপাতালে তিনি জানান, জানাজার পর মরদেহ জাতীয় শহীদ মিনারে নেয়া হবে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য। তবে আজ মরদেহ বাড়িতে রাখা হবে। পরিবারের ইচ্ছা, তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

মুস্তাফা মনোয়ার সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ফুসফুসে ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ এবং নিউমোনিয়ার জটিলতায় ভুগছিলেন। ১৪ জুন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

১৯৩৫ সালে মাগুরায় জন্ম নেয়া মুস্তাফা মনোয়ার ছিলেন প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান। তিনি চিত্রকলা ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাণের পাশাপাশি বাংলাদেশে পাপেট বা পুতুলনাচের শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান। ২০০৪ সালে তার শিল্প-সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের জন্য একুশে পদক লাভ করেন। তার প্রয়াণে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা মঙ্গলবার, শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা

আপলোড সময় : ০২:০৮:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

একুশে পদকপ্রাপ্ত কিংবদন্তি চিত্রশিল্পী ও নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) অনুষ্ঠিত হবে। এ তথ্য জানিয়েছেন তার ছেলে সাদাত মনোয়ার।

সোমবার (২৯ জুন) বেলা ১১টায় হাসপাতালে তিনি জানান, জানাজার পর মরদেহ জাতীয় শহীদ মিনারে নেয়া হবে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য। তবে আজ মরদেহ বাড়িতে রাখা হবে। পরিবারের ইচ্ছা, তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

মুস্তাফা মনোয়ার সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ফুসফুসে ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ এবং নিউমোনিয়ার জটিলতায় ভুগছিলেন। ১৪ জুন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

১৯৩৫ সালে মাগুরায় জন্ম নেয়া মুস্তাফা মনোয়ার ছিলেন প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান। তিনি চিত্রকলা ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাণের পাশাপাশি বাংলাদেশে পাপেট বা পুতুলনাচের শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান। ২০০৪ সালে তার শিল্প-সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের জন্য একুশে পদক লাভ করেন। তার প্রয়াণে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন