ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাতারে আটকে থাকা ইরানের ৬ বিলিয়ন ডলার মুক্ত হচ্ছে: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

  • আপলোড সময় : ০৫:০১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ২০১ বার পড়া হয়েছে

কাতারে আটকে থাকা ইরানের ৬ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের সম্পদ ফেরত আসছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি জানান, শান্তি চুক্তির আওতায় দেশটির জ্বালানি তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল খাতের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) কোম শহরে গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ শুবেইরি জানজানির সঙ্গে বৈঠকে পেজেশকিয়ান বলেন, কাতারে ইরানের মোট ১২ বিলিয়ন ডলারের তহবিল রয়েছে। এর মধ্যে ৬ বিলিয়ন ডলার এখনই মুক্ত হচ্ছে এবং বাকিটা ফেরত আনার কাজ চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, সুইজারল্যান্ডের বৈঠক ও সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে এই অর্থ অবমুক্তি এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পেজেশকিয়ান যুদ্ধকালীন সময়ে ইরানি জনগণের দৃঢ় মনোভাবের প্রশংসা করেন এবং বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানকে অস্থিতিশীল করতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করেছিল। কিন্তু জনগণের প্রতিরোধের কাছে তাদের সেই হিসাব সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

তিনি আবারও স্পষ্ট করেন, ইরান কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করেন যে, ইরানের সব কর্মকাণ্ড দেশের প্রয়োজন ও ঘোষিত নীতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

পেজেশকিয়ান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের চাপে ইসরায়েল এই সমঝোতায় রাজি হলেও কিছু বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে মিলে তারা এখনও এর বিরোধিতা করছে। তবে তার সরকার ইতোমধ্যে দেশ পুনর্গঠন ও সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ শুরু করেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কাতারে আটকে থাকা ইরানের ৬ বিলিয়ন ডলার মুক্ত হচ্ছে: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

আপলোড সময় : ০৫:০১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

কাতারে আটকে থাকা ইরানের ৬ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের সম্পদ ফেরত আসছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি জানান, শান্তি চুক্তির আওতায় দেশটির জ্বালানি তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল খাতের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) কোম শহরে গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ শুবেইরি জানজানির সঙ্গে বৈঠকে পেজেশকিয়ান বলেন, কাতারে ইরানের মোট ১২ বিলিয়ন ডলারের তহবিল রয়েছে। এর মধ্যে ৬ বিলিয়ন ডলার এখনই মুক্ত হচ্ছে এবং বাকিটা ফেরত আনার কাজ চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, সুইজারল্যান্ডের বৈঠক ও সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে এই অর্থ অবমুক্তি এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পেজেশকিয়ান যুদ্ধকালীন সময়ে ইরানি জনগণের দৃঢ় মনোভাবের প্রশংসা করেন এবং বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানকে অস্থিতিশীল করতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করেছিল। কিন্তু জনগণের প্রতিরোধের কাছে তাদের সেই হিসাব সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

তিনি আবারও স্পষ্ট করেন, ইরান কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করেন যে, ইরানের সব কর্মকাণ্ড দেশের প্রয়োজন ও ঘোষিত নীতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

পেজেশকিয়ান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের চাপে ইসরায়েল এই সমঝোতায় রাজি হলেও কিছু বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে মিলে তারা এখনও এর বিরোধিতা করছে। তবে তার সরকার ইতোমধ্যে দেশ পুনর্গঠন ও সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ শুরু করেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন