ঢাকা ০৮:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি, তবে কিছু এলাকায় থাকবে লোডশেডিং: মন্ত্রী

  • আপলোড সময় : ০৭:১১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, দেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত রবিবারের তুলনায় বর্তমান পরিস্থিতি অনেকটা স্বস্তিদায়ক এবং সরকার ঘাটতি কমানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, কারিগরি ত্রুটি ও কয়লা সংকটের কারণে গত দুই দিন বিদ্যুৎ সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়ে ১৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে, যেখানে চাহিদা ১৪ হাজার ৮৩৯ মেগাওয়াট। ফলে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ৩৩৯ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।

তিনি বলেন, “গতকালের পরিস্থিতি বেশ খারাপ ছিল, তবে আল্লাহর রহমতে আজ আমরা সেখান থেকে উত্তরণ করতে পেরেছি। আমরা চেষ্টা করছি ৩৩৯ মেগাওয়াটের এই ঘাটতিও কমিয়ে আনার জন্য।”

তবে কিছু এলাকায় লোডশেডিং থাকবে বলে মন্ত্রী সতর্ক করেছেন। রোববার সংসদে তিনি জানিয়েছিলেন, একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বয়লারের টিউবে ছিদ্র এবং বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রায় তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়েছিল।

এদিকে, লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে রোববার দেশের অন্তত সাতটি জেলায় গ্রাহক বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। মন্ত্রী এ জাতীয় সংকট ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করার জন্য সংসদ সদস্য ও দেশবাসীর প্রতি ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি, তবে কিছু এলাকায় থাকবে লোডশেডিং: মন্ত্রী

আপলোড সময় : ০৭:১১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, দেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত রবিবারের তুলনায় বর্তমান পরিস্থিতি অনেকটা স্বস্তিদায়ক এবং সরকার ঘাটতি কমানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, কারিগরি ত্রুটি ও কয়লা সংকটের কারণে গত দুই দিন বিদ্যুৎ সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়ে ১৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে, যেখানে চাহিদা ১৪ হাজার ৮৩৯ মেগাওয়াট। ফলে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ৩৩৯ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।

তিনি বলেন, “গতকালের পরিস্থিতি বেশ খারাপ ছিল, তবে আল্লাহর রহমতে আজ আমরা সেখান থেকে উত্তরণ করতে পেরেছি। আমরা চেষ্টা করছি ৩৩৯ মেগাওয়াটের এই ঘাটতিও কমিয়ে আনার জন্য।”

তবে কিছু এলাকায় লোডশেডিং থাকবে বলে মন্ত্রী সতর্ক করেছেন। রোববার সংসদে তিনি জানিয়েছিলেন, একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বয়লারের টিউবে ছিদ্র এবং বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রায় তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়েছিল।

এদিকে, লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে রোববার দেশের অন্তত সাতটি জেলায় গ্রাহক বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। মন্ত্রী এ জাতীয় সংকট ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করার জন্য সংসদ সদস্য ও দেশবাসীর প্রতি ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন