ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের শুনানি শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ১১:০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২০৪ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ও সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের শুনানি শুরু হয়েছে। রোববার (২ আগস্ট) সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

আহসান উল্লাহ মাস্টার, যিনি মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শ্রমিক নেতা ছিলেন, গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশে তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার রায় ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ঘোষণা করা হয়। রায়ে বিএনপির নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

২০০৫ সালে নিম্ন আদালতের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিল হাইকোর্টে যায়। ২০১৬ সালের ১৫ জুন হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন, যেখানে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে সাতজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া কিছু আসামি মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পান। দণ্ডিত আসামিরা পরে আপিল করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের শুনানি শুরু

আপলোড সময় : ১১:০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ও সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের শুনানি শুরু হয়েছে। রোববার (২ আগস্ট) সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

আহসান উল্লাহ মাস্টার, যিনি মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শ্রমিক নেতা ছিলেন, গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশে তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার রায় ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ঘোষণা করা হয়। রায়ে বিএনপির নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

২০০৫ সালে নিম্ন আদালতের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিল হাইকোর্টে যায়। ২০১৬ সালের ১৫ জুন হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন, যেখানে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে সাতজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া কিছু আসামি মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পান। দণ্ডিত আসামিরা পরে আপিল করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন