ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতার যোদ্ধাদের গেজেটের দাবি, ত্রাণমন্ত্রীর আহ্বান

  • আপলোড সময় : ০৮:১০:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে এক দৃষ্টিতে দেখা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি গত ১৭ বছরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নিহত ও আহতদের গেজেটভুক্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান জানান।

রোববার (২৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ, আর ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন ছিল স্বৈরাচারবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন। উভয় ক্ষেত্রের আত্মত্যাগকে সম্মান জানাতে হবে, তবে একটিকে আরেকটির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা সমীচীন নয়।

মন্ত্রী নিজেকে শহীদের সন্তান হিসেবে পরিচয় দিয়ে বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বাবা শহীদ হয়েছেন। ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ দিয়েছেন এবং দুই লাখ মা-বোন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, কিন্তু তাদের অনেকের নাম এখনও সরকারি গেজেটে নেই। তিনি জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধাদের তালিকা তৈরির উদ্যোগকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন।

এক শোকাহত মায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে তার সন্তান নিহত হয়েছেন, কিন্তু দীর্ঘ সময়ের আন্দোলনে নিহত ও আহতদের কোনো তালিকা নেই। তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান, গত ১৭ বছরে আন্দোলনে নিহত ও আহতদের দ্রুত গেজেটভুক্ত করা উচিত।

মন্ত্রী দেশের সামাজিক অবক্ষয়ের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, কঠোর আইন থাকলেও ধর্ষণের মতো অপরাধ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তাই আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে আগামী ৪ জুলাই লালমনিরহাটে ‘আলোকিত লালমনি’ নামে একটি সামাজিক আন্দোলনের উদ্বোধন করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্বাধীনতার যোদ্ধাদের গেজেটের দাবি, ত্রাণমন্ত্রীর আহ্বান

আপলোড সময় : ০৮:১০:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে এক দৃষ্টিতে দেখা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি গত ১৭ বছরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নিহত ও আহতদের গেজেটভুক্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান জানান।

রোববার (২৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ, আর ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন ছিল স্বৈরাচারবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন। উভয় ক্ষেত্রের আত্মত্যাগকে সম্মান জানাতে হবে, তবে একটিকে আরেকটির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা সমীচীন নয়।

মন্ত্রী নিজেকে শহীদের সন্তান হিসেবে পরিচয় দিয়ে বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বাবা শহীদ হয়েছেন। ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ দিয়েছেন এবং দুই লাখ মা-বোন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, কিন্তু তাদের অনেকের নাম এখনও সরকারি গেজেটে নেই। তিনি জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধাদের তালিকা তৈরির উদ্যোগকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন।

এক শোকাহত মায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে তার সন্তান নিহত হয়েছেন, কিন্তু দীর্ঘ সময়ের আন্দোলনে নিহত ও আহতদের কোনো তালিকা নেই। তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান, গত ১৭ বছরে আন্দোলনে নিহত ও আহতদের দ্রুত গেজেটভুক্ত করা উচিত।

মন্ত্রী দেশের সামাজিক অবক্ষয়ের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, কঠোর আইন থাকলেও ধর্ষণের মতো অপরাধ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তাই আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে আগামী ৪ জুলাই লালমনিরহাটে ‘আলোকিত লালমনি’ নামে একটি সামাজিক আন্দোলনের উদ্বোধন করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন