ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অন্তর্বর্তী সরকারের অবহেলায় হামের প্রাদুর্ভাব, ৬ শতাধিক শিশুর মৃত্যু

  • আপলোড সময় : ০৮:২০:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেছেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের ভুলের কারণে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে, যার ফলে ৬ শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তিনি রোববার গোপালগঞ্জ পৌরসভা মিলনায়তনে ভিটামিন “এ” প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন।

ড. জিয়াউদ্দিন বলেন, হামের টিকা ২০২৪-২৫ সালে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি। তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন কোনো শিশু ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল থেকে বঞ্চিত না হয়। সরকারের লক্ষ্য প্রতিটি শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা।

তিনি আরও জানান, দেশের ইউনিয়নগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা বাড়ানোর জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে একটি প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট তৈরি করা হবে। গোপালগঞ্জকে স্বাস্থ্য হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে এবং আধুনিক কার্ডিয়াক ও ডায়ালেসিস সেন্টার স্থাপন করা হবে।

এ বছর জেলায় ১ লাখ ৭৬ হাজার ৫৬০ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার জন্য ৭টি স্থায়ী ও ১,৬৭৬টি অস্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান, পুলিশ সুপার মো. হাবিবুল্লাহ, গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. গোলাম মোর্শেদ মোল্লা, এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে ড. জিয়াউদ্দিন গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অন্তর্বর্তী সরকারের অবহেলায় হামের প্রাদুর্ভাব, ৬ শতাধিক শিশুর মৃত্যু

আপলোড সময় : ০৮:২০:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

গোপালগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেছেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের ভুলের কারণে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে, যার ফলে ৬ শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তিনি রোববার গোপালগঞ্জ পৌরসভা মিলনায়তনে ভিটামিন “এ” প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন।

ড. জিয়াউদ্দিন বলেন, হামের টিকা ২০২৪-২৫ সালে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি। তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন কোনো শিশু ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল থেকে বঞ্চিত না হয়। সরকারের লক্ষ্য প্রতিটি শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা।

তিনি আরও জানান, দেশের ইউনিয়নগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা বাড়ানোর জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে একটি প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট তৈরি করা হবে। গোপালগঞ্জকে স্বাস্থ্য হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে এবং আধুনিক কার্ডিয়াক ও ডায়ালেসিস সেন্টার স্থাপন করা হবে।

এ বছর জেলায় ১ লাখ ৭৬ হাজার ৫৬০ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার জন্য ৭টি স্থায়ী ও ১,৬৭৬টি অস্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান, পুলিশ সুপার মো. হাবিবুল্লাহ, গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. গোলাম মোর্শেদ মোল্লা, এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে ড. জিয়াউদ্দিন গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন