ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চলে গেলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার

  • আপলোড সময় : ১০:৫৮:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ২০২ বার পড়া হয়েছে

দেশের বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ার (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন) সোমবার (২৯ জুন) রাজধানীর একটি হাসপাতালে নিউমোনিয়াজনিত জটিলতায় মারা গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

মুস্তাফা মনোয়ার ১৪ জুন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। কিছুদিন আগে ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেয়া হলেও পরে আবারও ভেন্টিলেটরে নেয়া হয়। তার স্ত্রী মেরী মনোয়ার জানিয়েছিলেন, ফুসফুসে মারাত্মক ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের কারণে তিনি সংকটাপন্ন ছিলেন।

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করা মুস্তাফা মনোয়ার প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান। তিনি দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রেখেছেন। ২০০৪ সালে শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

তার মৃত্যুতে দেশের শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনে গভীর শোক নেমে এসেছে। সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও অনুরাগীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলে গেলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার

আপলোড সময় : ১০:৫৮:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

দেশের বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ার (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন) সোমবার (২৯ জুন) রাজধানীর একটি হাসপাতালে নিউমোনিয়াজনিত জটিলতায় মারা গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

মুস্তাফা মনোয়ার ১৪ জুন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। কিছুদিন আগে ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেয়া হলেও পরে আবারও ভেন্টিলেটরে নেয়া হয়। তার স্ত্রী মেরী মনোয়ার জানিয়েছিলেন, ফুসফুসে মারাত্মক ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের কারণে তিনি সংকটাপন্ন ছিলেন।

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করা মুস্তাফা মনোয়ার প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান। তিনি দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রেখেছেন। ২০০৪ সালে শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

তার মৃত্যুতে দেশের শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনে গভীর শোক নেমে এসেছে। সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও অনুরাগীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন