ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাসপাতালের মেঝেতে রোগীর শুয়ে থাকা দৃশ্য লজ্জাজনক: বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য

  • আপলোড সময় : ১২:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান দেশের স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, হাসপাতালের মেঝেতে রোগীদের শুয়ে থাকার দৃশ্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। তিনি বলেন, পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত রোগীর ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি রোগী মেঝেতে শুয়ে রয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বর্তমান স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে 'কপি অ্যান্ড পেস্ট' নীতিতে পরিচালিত বলে উল্লেখ করেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নতুন প্রকল্পের চেয়ে বিদ্যমান জনবল ও লজিস্টিক সংকট দূর করা জরুরি।

তিনি দেশের অর্থনৈতিক সংকট, দুর্নীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের অব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন এবং বাজেটকে ইনসাফভিত্তিক করার দাবি জানান। শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা বৈশ্বিক মানদণ্ড বজায় রাখতে পারছে না এবং কওমি মাদ্রাসার জন্য বাজেটে কোনো বরাদ্দ নেই।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকারকে ব্যবসায়ীদের করের বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে হবে, যাতে তারা সৎভাবে রাজস্ব প্রদান করতে পারেন। তিনি পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার জন্য দ্রুত আইনি চুক্তির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং বলেন, দেশের স্বার্থে বিরোধী দল হিসেবে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হাসপাতালের মেঝেতে রোগীর শুয়ে থাকা দৃশ্য লজ্জাজনক: বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য

আপলোড সময় : ১২:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান দেশের স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, হাসপাতালের মেঝেতে রোগীদের শুয়ে থাকার দৃশ্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। তিনি বলেন, পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত রোগীর ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি রোগী মেঝেতে শুয়ে রয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বর্তমান স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে 'কপি অ্যান্ড পেস্ট' নীতিতে পরিচালিত বলে উল্লেখ করেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নতুন প্রকল্পের চেয়ে বিদ্যমান জনবল ও লজিস্টিক সংকট দূর করা জরুরি।

তিনি দেশের অর্থনৈতিক সংকট, দুর্নীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের অব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন এবং বাজেটকে ইনসাফভিত্তিক করার দাবি জানান। শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা বৈশ্বিক মানদণ্ড বজায় রাখতে পারছে না এবং কওমি মাদ্রাসার জন্য বাজেটে কোনো বরাদ্দ নেই।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকারকে ব্যবসায়ীদের করের বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে হবে, যাতে তারা সৎভাবে রাজস্ব প্রদান করতে পারেন। তিনি পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার জন্য দ্রুত আইনি চুক্তির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং বলেন, দেশের স্বার্থে বিরোধী দল হিসেবে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন