ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি ও টিআইএনের বাধ্যবাধকতা শিথিলের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

  • আপলোড সময় : ০৫:০৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ২০২ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর এবং ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন থাকার বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্যে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

প্রস্তাবিত বাজেটে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ করবর্ষে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ করবর্ষে ৪ লাখ টাকা এবং ২০৩০-৩১ করবর্ষে সাড়ে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এই সীমা যথাক্রমে ৪ লাখ, সাড়ে ৪ লাখ এবং ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেন।

তিনি বলেন, করের আওতা বাড়াতে ব্যাংক হিসাব খোলা, বণ্টননামা দলিল নিবন্ধন ও সম্পত্তি নামজারির ক্ষেত্রে টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। এ কারণে তিনি এই প্রস্তাব প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

এছাড়া, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। তিনি পার্বত্য ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য কর-সুবিধা বাড়ানোরও প্রস্তাব করেন।

প্রধানমন্ত্রী চিংড়িশিল্পের প্রসার ও রপ্তানি বাড়াতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানির ওপর শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেন। তিনি বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামালের ওপর প্রস্তাবিত শুল্ক হ্রাস বা প্রত্যাহারের জন্য অর্থমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি ও টিআইএনের বাধ্যবাধকতা শিথিলের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

আপলোড সময় : ০৫:০৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর এবং ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন থাকার বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্যে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

প্রস্তাবিত বাজেটে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ করবর্ষে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ করবর্ষে ৪ লাখ টাকা এবং ২০৩০-৩১ করবর্ষে সাড়ে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এই সীমা যথাক্রমে ৪ লাখ, সাড়ে ৪ লাখ এবং ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেন।

তিনি বলেন, করের আওতা বাড়াতে ব্যাংক হিসাব খোলা, বণ্টননামা দলিল নিবন্ধন ও সম্পত্তি নামজারির ক্ষেত্রে টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। এ কারণে তিনি এই প্রস্তাব প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

এছাড়া, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। তিনি পার্বত্য ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য কর-সুবিধা বাড়ানোরও প্রস্তাব করেন।

প্রধানমন্ত্রী চিংড়িশিল্পের প্রসার ও রপ্তানি বাড়াতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানির ওপর শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেন। তিনি বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামালের ওপর প্রস্তাবিত শুল্ক হ্রাস বা প্রত্যাহারের জন্য অর্থমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন