ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগর ডি.আর. সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের চরম অবস্থা

  • আপলোড সময় : ০৫:১২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • / ২০১ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লার মুরাদনগরের ঐতিহ্যবাহী মুরাদনগর ডি.আর. সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক ও জনবল সংকটে ভুগছে। প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, ভৌতবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে কোনো শিক্ষক নেই। গণিত বিষয়ে দুটি পদের বিপরীতে রয়েছেন মাত্র একজন শিক্ষক।

বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী, কম্পিউটার অপারেটর, পিয়ন, ঝাড়ুদার ও নাইট গার্ডের পদও শূন্য রয়েছে। অস্থায়ী কর্মচারীদের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালানো হলেও তা অপ্রতুল। নিরাপত্তার অভাবে বিদ্যালয়ের মূল্যবান সামগ্রী প্রায়ই চুরি হচ্ছে।

স্থানীয় অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন যে, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীরা মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং ফলাফলও খারাপ হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী প্রাইভেট কোচিংয়ে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, যা দরিদ্র পরিবারের জন্য অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ময়নাল হোসেন সরকার জানান, “শিক্ষক ও জনবল সংকটের বিষয়টি আমরা একাধিকবার জানিয়েছি, কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।” কুমিল্লার জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।”

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ না দিলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ আরও অবনতির দিকে যাবে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, “এতদিন ধরে শিক্ষক নিয়োগের অপেক্ষা করতে হবে কেন?”

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মুরাদনগর ডি.আর. সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের চরম অবস্থা

আপলোড সময় : ০৫:১২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

কুমিল্লার মুরাদনগরের ঐতিহ্যবাহী মুরাদনগর ডি.আর. সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক ও জনবল সংকটে ভুগছে। প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, ভৌতবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে কোনো শিক্ষক নেই। গণিত বিষয়ে দুটি পদের বিপরীতে রয়েছেন মাত্র একজন শিক্ষক।

বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী, কম্পিউটার অপারেটর, পিয়ন, ঝাড়ুদার ও নাইট গার্ডের পদও শূন্য রয়েছে। অস্থায়ী কর্মচারীদের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালানো হলেও তা অপ্রতুল। নিরাপত্তার অভাবে বিদ্যালয়ের মূল্যবান সামগ্রী প্রায়ই চুরি হচ্ছে।

স্থানীয় অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন যে, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীরা মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং ফলাফলও খারাপ হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী প্রাইভেট কোচিংয়ে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, যা দরিদ্র পরিবারের জন্য অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ময়নাল হোসেন সরকার জানান, “শিক্ষক ও জনবল সংকটের বিষয়টি আমরা একাধিকবার জানিয়েছি, কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।” কুমিল্লার জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।”

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ না দিলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ আরও অবনতির দিকে যাবে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, “এতদিন ধরে শিক্ষক নিয়োগের অপেক্ষা করতে হবে কেন?”

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন