ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহজালাল বিমানবন্দরে আমদানি কার্গোতে ১০ মাস স্ক্যানার নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোড সময় : ১২:০৪:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২০১ বার পড়া হয়েছে

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আমদানি কার্গোতে গত ১০ মাস ধরে স্ক্যানার নেই। কর্মকর্তারা স্ক্যানার ছাড়াই বিল অফ এন্ট্রির ওপর নির্ভর করে পণ্যগুলোর অ্যাসেসমেন্ট করছেন, যা বৈধ ও অবৈধ পণ্য শনাক্তের প্রযুক্তিগত পদ্ধতি ব্যবহার না করার ফলে প্রশ্নের সৃষ্টি করছে।

ঢাকা কাস্টমস হাউজের কমিশনার মশিউর রহমান বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, গত বছরের ১৮ অক্টোবর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্ক্যানারটি নষ্ট হয়ে যায় এবং এরপর থেকে নতুন স্ক্যানার কেনার প্রক্রিয়া চলছে।

সম্প্রতি, আমদানি কার্গো থেকে ফলের আড়ালে ১৬ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়, যা পূর্বে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, কাস্টমস কর্মকর্তারা বিল অফ এন্ট্রি দেখে পণ্য পরীক্ষা করছেন, তবে স্ক্যানার না থাকায় অনেক পণ্য যথাযথ পরীক্ষা ছাড়াই বের হয়ে যাচ্ছে।

সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি খায়রুল কবির ভূঁইয়া মিঠু বলেন, আমদানি কার্গোতে স্ক্যানার থাকা প্রয়োজন। যদিও তারা শুনছেন স্ক্যানার আসছে, তবে তা এখনও আসেনি।

কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার কামরুল ইসলাম বলেন, স্ক্যানার না থাকায় পণ্য পরীক্ষা ছাড়াই বের হয়ে যাচ্ছে এমন নয়, তবে স্ক্যানার থাকলে চেকিং প্রক্রিয়া আরও সহজ হতো।

গত বছরের ১৮ অক্টোবর শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শত শত কোটি টাকার পণ্য পুড়ে যায়। ১৩টি ফায়ার স্টেশনের ৩৭টি ইউনিট প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শাহজালাল বিমানবন্দরে আমদানি কার্গোতে ১০ মাস স্ক্যানার নেই

আপলোড সময় : ১২:০৪:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আমদানি কার্গোতে গত ১০ মাস ধরে স্ক্যানার নেই। কর্মকর্তারা স্ক্যানার ছাড়াই বিল অফ এন্ট্রির ওপর নির্ভর করে পণ্যগুলোর অ্যাসেসমেন্ট করছেন, যা বৈধ ও অবৈধ পণ্য শনাক্তের প্রযুক্তিগত পদ্ধতি ব্যবহার না করার ফলে প্রশ্নের সৃষ্টি করছে।

ঢাকা কাস্টমস হাউজের কমিশনার মশিউর রহমান বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, গত বছরের ১৮ অক্টোবর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্ক্যানারটি নষ্ট হয়ে যায় এবং এরপর থেকে নতুন স্ক্যানার কেনার প্রক্রিয়া চলছে।

সম্প্রতি, আমদানি কার্গো থেকে ফলের আড়ালে ১৬ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়, যা পূর্বে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, কাস্টমস কর্মকর্তারা বিল অফ এন্ট্রি দেখে পণ্য পরীক্ষা করছেন, তবে স্ক্যানার না থাকায় অনেক পণ্য যথাযথ পরীক্ষা ছাড়াই বের হয়ে যাচ্ছে।

সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি খায়রুল কবির ভূঁইয়া মিঠু বলেন, আমদানি কার্গোতে স্ক্যানার থাকা প্রয়োজন। যদিও তারা শুনছেন স্ক্যানার আসছে, তবে তা এখনও আসেনি।

কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার কামরুল ইসলাম বলেন, স্ক্যানার না থাকায় পণ্য পরীক্ষা ছাড়াই বের হয়ে যাচ্ছে এমন নয়, তবে স্ক্যানার থাকলে চেকিং প্রক্রিয়া আরও সহজ হতো।

গত বছরের ১৮ অক্টোবর শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শত শত কোটি টাকার পণ্য পুড়ে যায়। ১৩টি ফায়ার স্টেশনের ৩৭টি ইউনিট প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন