ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের হামলায় নিহত ২৯ সশস্ত্র যোদ্ধা

  • আপলোড সময় : ১১:০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ২০১ বার পড়া হয়েছে

আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তান বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়েছে, যেখানে অন্তত ২৯ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর স্থল ও বিমান হামলা সম্প্রতি দেশটিতে একের পর এক প্রাণঘাতী হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে পরিচালিত হয়েছে।

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই অভিযানের কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পূর্ব আফগানিস্তানের পাক্তিয়া, পাক্তিকা ও কুনার প্রদেশের তিনটি আস্তানা লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালানো হয়েছে। আফগানিস্তানের পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

এটি পাকিস্তানি তালেবানের (টিটিপি) লুকিয়ে থাকার জায়গা ও নিরাপদ আশ্রয়স্থলগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য পরিচালিত হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা টিটিপি এবং তাদের সহযোগী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর দায় চাপাচ্ছে ইসলামাবাদ।

করাচিতে হামলার পরদিন এই অভিযান চালানো হয়, যেখানে তিন পাকিস্তানি সেনা নিহত হন। জামাত-উল-আহরার নামের একটি গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। গত তিন সপ্তাহের মধ্যে এটি পাকিস্তানের দ্বিতীয় দফা বিমান হামলা, যা দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে।

পাকিস্তান বরাবরই অভিযোগ করে আসছে যে, আফগান তালেবান সরকার টিটিপিসহ বিভিন্ন সশস্ত্র যোদ্ধাদের আশ্রয় দিচ্ছে। তবে কাবুলের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের হামলায় নিহত ২৯ সশস্ত্র যোদ্ধা

আপলোড সময় : ১১:০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তান বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়েছে, যেখানে অন্তত ২৯ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর স্থল ও বিমান হামলা সম্প্রতি দেশটিতে একের পর এক প্রাণঘাতী হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে পরিচালিত হয়েছে।

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই অভিযানের কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পূর্ব আফগানিস্তানের পাক্তিয়া, পাক্তিকা ও কুনার প্রদেশের তিনটি আস্তানা লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালানো হয়েছে। আফগানিস্তানের পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

এটি পাকিস্তানি তালেবানের (টিটিপি) লুকিয়ে থাকার জায়গা ও নিরাপদ আশ্রয়স্থলগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য পরিচালিত হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা টিটিপি এবং তাদের সহযোগী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর দায় চাপাচ্ছে ইসলামাবাদ।

করাচিতে হামলার পরদিন এই অভিযান চালানো হয়, যেখানে তিন পাকিস্তানি সেনা নিহত হন। জামাত-উল-আহরার নামের একটি গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। গত তিন সপ্তাহের মধ্যে এটি পাকিস্তানের দ্বিতীয় দফা বিমান হামলা, যা দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে।

পাকিস্তান বরাবরই অভিযোগ করে আসছে যে, আফগান তালেবান সরকার টিটিপিসহ বিভিন্ন সশস্ত্র যোদ্ধাদের আশ্রয় দিচ্ছে। তবে কাবুলের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন