ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কর্ণফুলী টানেলে ব্যয় দ্বিগুণ, জানান সেতুমন্ত্রী

  • আপলোড সময় : ০৩:২৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল থেকে প্রতি মাসে আদায়কৃত টোলের পরিমাণ পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয়ের প্রায় দ্বিগুণ বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, টানেল থেকে মাসিক গড়ে ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৫১ হাজার ৯০০ টাকা টোল আদায় হলেও পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় হয় ৬ কোটি ৯৫ লাখ ১৮ হাজার ৬৯১ টাকা। টানেলের ভেতরে বিদ্যুৎ সরবরাহ, আলোকসজ্জা, বায়ু চলাচল ব্যবস্থা, অগ্নিনিরাপত্তা ও সিসিটিভির মতো সেবার কারণে ব্যয় বেশি হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, টানেল চালুর প্রথমদিকে দৈনিক পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ৩৭ লাখ টাকা ব্যয় হতো, তবে বর্তমানে এটি ২২ থেকে ২৩ লাখ টাকায় নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। সরকার টানেলকে লাভজনক করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।

এছাড়া, রাজধানীর যানজট নিরসনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের শিববাড়ী পর্যন্ত ২০.৫ কিলোমিটার বিআরটি (বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট) চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, মহাসড়কে বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি গণপরিবহনে জিপিএস স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ফিটনেসবিহীন যানবাহন নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষার জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে। রেলমন্ত্রীও ঢাকা মহানগরের তিনটি লেভেল ক্রসিংয়ে স্বয়ংক্রিয় ব্যারিয়ার স্থাপনের পরিকল্পনা জানিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কর্ণফুলী টানেলে ব্যয় দ্বিগুণ, জানান সেতুমন্ত্রী

আপলোড সময় : ০৩:২৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল থেকে প্রতি মাসে আদায়কৃত টোলের পরিমাণ পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয়ের প্রায় দ্বিগুণ বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, টানেল থেকে মাসিক গড়ে ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৫১ হাজার ৯০০ টাকা টোল আদায় হলেও পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় হয় ৬ কোটি ৯৫ লাখ ১৮ হাজার ৬৯১ টাকা। টানেলের ভেতরে বিদ্যুৎ সরবরাহ, আলোকসজ্জা, বায়ু চলাচল ব্যবস্থা, অগ্নিনিরাপত্তা ও সিসিটিভির মতো সেবার কারণে ব্যয় বেশি হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, টানেল চালুর প্রথমদিকে দৈনিক পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ৩৭ লাখ টাকা ব্যয় হতো, তবে বর্তমানে এটি ২২ থেকে ২৩ লাখ টাকায় নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। সরকার টানেলকে লাভজনক করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।

এছাড়া, রাজধানীর যানজট নিরসনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের শিববাড়ী পর্যন্ত ২০.৫ কিলোমিটার বিআরটি (বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট) চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, মহাসড়কে বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি গণপরিবহনে জিপিএস স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ফিটনেসবিহীন যানবাহন নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষার জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে। রেলমন্ত্রীও ঢাকা মহানগরের তিনটি লেভেল ক্রসিংয়ে স্বয়ংক্রিয় ব্যারিয়ার স্থাপনের পরিকল্পনা জানিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন