ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নওগাঁর চন্দননগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে বদিউজ্জামানের পুনর্বহাল

  • আপলোড সময় : ০৩:৫৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ২নং চন্দননগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান (বদি) হাইকোর্টের নির্দেশনায় পুনরায় চেয়ারম্যানের প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকও।

বদিউজ্জামান প্রায় পাঁচ মাস কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্ত হন। তার অনুপস্থিতিতে প্যানেল চেয়ারম্যান ময়নুল ইসলাম চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছিলেন। জামিনের পর বদিউজ্জামান হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন, যার শুনানিতে আদালত স্থানীয় সরকার বিভাগকে বিষয়টি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয়।

স্থানীয় সরকার বিভাগ আদালতের নির্দেশনা ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বদিউজ্জামানকে পুনরায় দায়িত্ব প্রদান করে এবং প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব প্রত্যাহার করে। ময়নুল ইসলাম বলেন, তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছেন এবং বর্তমানে ইউপি সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।

বদিউজ্জামান জানান, তার স্ত্রী ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ায় তিনি দীর্ঘদিন হাসপাতালে ছিলেন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার হন। তিনি আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং বলেন, যদি কেউ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে চান, তাদের সেই সুযোগ রয়েছে।

নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুর্শিদা খাতুন বলেন, আগের চেয়ারম্যান আদালতে পিটিশন দায়ের করে বৈধতা অর্জন করেছেন। ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা সিদ্ধান্ত নেবেন, চেয়ারম্যানের পুনর্বহাল হলে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলার অবনতি হবে কিনা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নওগাঁর চন্দননগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে বদিউজ্জামানের পুনর্বহাল

আপলোড সময় : ০৩:৫৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ২নং চন্দননগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান (বদি) হাইকোর্টের নির্দেশনায় পুনরায় চেয়ারম্যানের প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকও।

বদিউজ্জামান প্রায় পাঁচ মাস কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্ত হন। তার অনুপস্থিতিতে প্যানেল চেয়ারম্যান ময়নুল ইসলাম চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছিলেন। জামিনের পর বদিউজ্জামান হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন, যার শুনানিতে আদালত স্থানীয় সরকার বিভাগকে বিষয়টি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয়।

স্থানীয় সরকার বিভাগ আদালতের নির্দেশনা ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বদিউজ্জামানকে পুনরায় দায়িত্ব প্রদান করে এবং প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব প্রত্যাহার করে। ময়নুল ইসলাম বলেন, তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছেন এবং বর্তমানে ইউপি সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।

বদিউজ্জামান জানান, তার স্ত্রী ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ায় তিনি দীর্ঘদিন হাসপাতালে ছিলেন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার হন। তিনি আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং বলেন, যদি কেউ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে চান, তাদের সেই সুযোগ রয়েছে।

নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুর্শিদা খাতুন বলেন, আগের চেয়ারম্যান আদালতে পিটিশন দায়ের করে বৈধতা অর্জন করেছেন। ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা সিদ্ধান্ত নেবেন, চেয়ারম্যানের পুনর্বহাল হলে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলার অবনতি হবে কিনা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন