ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বালুমহাল দখলের অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ০৩:৫৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার প্রেমতলী অঞ্চলে ৫ই আগস্টের পর স্থানীয় বিএনপি নেতা এহসানুল কবির টুকুর বিরুদ্ধে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়…

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার প্রেমতলী অঞ্চলে ৫ই আগস্টের পর স্থানীয় বিএনপি নেতা এহসানুল কবির টুকুর বিরুদ্ধে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিনি একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়োগ বাণিজ্য, সরকারি জমি দখল এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাতের মতো নানা অনিয়মে জড়িত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টুকু ঢাকা থেকে এসে এলাকার “জেনারেল শরীফ” ও দলীয় পদের প্রভাব খাটিয়ে অন্তত পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদ দখল করেছেন। প্রেমতলী ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হলেও তিনি ভাটোপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদ দখল করে রেখেছেন, যেখানে নিয়মিত কমিটি গঠন প্রক্রিয়া আটকে রাখা হয়েছে।

প্রেমতলী জসীমউদ্দীন দাখিল মাদ্রাসাতেও তার পরিবার নিয়ন্ত্রণ করছে। অভিযোগ রয়েছে, মাদ্রাসার গভর্নিং বডিতে একজন শিক্ষিত প্রফেসর থাকা সত্ত্বেও টুকুর একক ইচ্ছায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে প্রায় ২৬ লক্ষ টাকার নিয়োগ বাণিজ্য হয়েছে বলে জানা যায়।

প্রেমতলী সুখ বাসিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে টুকুর সভাপতির পদেও অনিয়মের চিত্র মিলেছে। বিদ্যালয়ের জমির আয় নিয়ে কোনো সুষ্ঠু হিসেব নেই এবং একজন শিক্ষক দীর্ঘদিন রাশিয়ায় অবস্থান করলেও তার নামে সরকারি বেতন উত্তোলন করা হচ্ছে। প্রেমতলী ডিগ্রী মহাবিদ্যালয়েও টুকুর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া, স্থানীয় বালুমহালেও টুকুর প্রভাব রয়েছে। মুসল্লিদের অভিযোগ, বালুমহালের লভ্যাংশ মসজিদে দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তিনি তা দিতে নানা তালবাহানা করছেন। স্থানীয় জনগণের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা সত্ত্বেও তার বাহিনী জোরপূর্বক বালু উত্তোলন করছে। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে টুকুকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বালুমহাল দখলের অভিযোগ

আপলোড সময় : ০৩:৫৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার প্রেমতলী অঞ্চলে ৫ই আগস্টের পর স্থানীয় বিএনপি নেতা এহসানুল কবির টুকুর বিরুদ্ধে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিনি একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়োগ বাণিজ্য, সরকারি জমি দখল এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাতের মতো নানা অনিয়মে জড়িত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টুকু ঢাকা থেকে এসে এলাকার “জেনারেল শরীফ” ও দলীয় পদের প্রভাব খাটিয়ে অন্তত পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদ দখল করেছেন। প্রেমতলী ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হলেও তিনি ভাটোপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদ দখল করে রেখেছেন, যেখানে নিয়মিত কমিটি গঠন প্রক্রিয়া আটকে রাখা হয়েছে।

প্রেমতলী জসীমউদ্দীন দাখিল মাদ্রাসাতেও তার পরিবার নিয়ন্ত্রণ করছে। অভিযোগ রয়েছে, মাদ্রাসার গভর্নিং বডিতে একজন শিক্ষিত প্রফেসর থাকা সত্ত্বেও টুকুর একক ইচ্ছায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে প্রায় ২৬ লক্ষ টাকার নিয়োগ বাণিজ্য হয়েছে বলে জানা যায়।

প্রেমতলী সুখ বাসিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে টুকুর সভাপতির পদেও অনিয়মের চিত্র মিলেছে। বিদ্যালয়ের জমির আয় নিয়ে কোনো সুষ্ঠু হিসেব নেই এবং একজন শিক্ষক দীর্ঘদিন রাশিয়ায় অবস্থান করলেও তার নামে সরকারি বেতন উত্তোলন করা হচ্ছে। প্রেমতলী ডিগ্রী মহাবিদ্যালয়েও টুকুর বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া, স্থানীয় বালুমহালেও টুকুর প্রভাব রয়েছে। মুসল্লিদের অভিযোগ, বালুমহালের লভ্যাংশ মসজিদে দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তিনি তা দিতে নানা তালবাহানা করছেন। স্থানীয় জনগণের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা সত্ত্বেও তার বাহিনী জোরপূর্বক বালু উত্তোলন করছে। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে টুকুকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন