ঢাকা ০৫:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রসূতি ছুটির বিধান নিয়ে হাইকোর্টের রুল: বৈষম্য দূর করার আহ্বান

  • আপলোড সময় : ০১:২৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ২০৭ বার পড়া হয়েছে

হাইকোর্টে কোনো নারী কর্মীর দুই বারের বেশি প্রসূতি ছুটি না থাকা এবং ছয় মাস চাকরি না করলে এই ছুটি না পাওয়ার বিধান নিয়ে রুল জারি করা হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আশিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে এই রুল জারি করে।

রুলে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ৪৬(২) ও ৪৬(১) এর প্রভিসো এবং বাংলাদেশ সার্ভিস রুলসের ১৯৭ নম্বর রুল কেন সংবিধানের মৌলিক অধিকার পরিপন্থি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এছাড়া, সরকারি ও বেসরকারি খাতে সমান মাতৃত্বকালীন সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের ব্যর্থতা কেন প্রশ্নবিদ্ধ হবে, তাও উল্লেখ করা হয়েছে।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান, সহযোগী হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট তানজিলা রহমান, মো. বাহাউদ্দিন আল ইমরান ও ইফাত হাসান শাম্মি। ১৫ জুন এই জনস্বার্থমূলক রিটটি দায়ের করা হয়, যেখানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও আইন সচিবসহ ১২ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মাতৃত্বকালীন ছুটি ও সুবিধা মা ও নবজাতকের মৌলিক স্বাস্থ্য ও সাংবিধানিক অধিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত। তৃতীয় বা পরবর্তী সন্তানের ক্ষেত্রে এই অধিকার থেকে বঞ্চিত করা বৈষম্যমূলক। বর্তমানে ভিন্ন ভিন্ন নীতিমালার কারণে কর্মজীবী নারীদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে, যা আইনগতভাবে সমান আশ্রয়ের নীতির পরিপন্থি।

শুনানি শেষে আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, এই রিটের মাধ্যমে সকল কর্মজীবী নারীর জন্য বৈষম্যহীন মাতৃত্বকালীন অধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মাতৃত্ব কোনো শাস্তির বিষয় নয়, এটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক সুরক্ষার বিষয়। মামলার চূড়ান্ত রায় লিঙ্গসমতা ও শ্রম অধিকারে একটি ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রসূতি ছুটির বিধান নিয়ে হাইকোর্টের রুল: বৈষম্য দূর করার আহ্বান

আপলোড সময় : ০১:২৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

হাইকোর্টে কোনো নারী কর্মীর দুই বারের বেশি প্রসূতি ছুটি না থাকা এবং ছয় মাস চাকরি না করলে এই ছুটি না পাওয়ার বিধান নিয়ে রুল জারি করা হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আশিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে এই রুল জারি করে।

রুলে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ৪৬(২) ও ৪৬(১) এর প্রভিসো এবং বাংলাদেশ সার্ভিস রুলসের ১৯৭ নম্বর রুল কেন সংবিধানের মৌলিক অধিকার পরিপন্থি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এছাড়া, সরকারি ও বেসরকারি খাতে সমান মাতৃত্বকালীন সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের ব্যর্থতা কেন প্রশ্নবিদ্ধ হবে, তাও উল্লেখ করা হয়েছে।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান, সহযোগী হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট তানজিলা রহমান, মো. বাহাউদ্দিন আল ইমরান ও ইফাত হাসান শাম্মি। ১৫ জুন এই জনস্বার্থমূলক রিটটি দায়ের করা হয়, যেখানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও আইন সচিবসহ ১২ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মাতৃত্বকালীন ছুটি ও সুবিধা মা ও নবজাতকের মৌলিক স্বাস্থ্য ও সাংবিধানিক অধিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত। তৃতীয় বা পরবর্তী সন্তানের ক্ষেত্রে এই অধিকার থেকে বঞ্চিত করা বৈষম্যমূলক। বর্তমানে ভিন্ন ভিন্ন নীতিমালার কারণে কর্মজীবী নারীদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে, যা আইনগতভাবে সমান আশ্রয়ের নীতির পরিপন্থি।

শুনানি শেষে আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, এই রিটের মাধ্যমে সকল কর্মজীবী নারীর জন্য বৈষম্যহীন মাতৃত্বকালীন অধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মাতৃত্ব কোনো শাস্তির বিষয় নয়, এটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক সুরক্ষার বিষয়। মামলার চূড়ান্ত রায় লিঙ্গসমতা ও শ্রম অধিকারে একটি ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন