ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • আপলোড সময় : ০১:১৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় ১১ বছর পর আদালত রায় ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক প্রধান আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। অপর এক আসামিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মমিন, যিনি ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের ভাংবাড়ী বগুড়াপাড়া গ্রামের জালাল প্রামাণিকের ছেলে। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৫ সালে ওই কিশোরী ধর্ষণের শিকার হন। ভুক্তভোগীর পরিবার রাণীশংকৈল থানায় মামলা দায়ের করে, পরে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

আদালত দীর্ঘ ১১ বছর ধরে চলা তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রধান আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করে। রায়ের পর সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানান, এ রায় ভুক্তভোগী পরিবারকে ন্যায়বিচার দিয়েছে এবং সমাজে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপলোড সময় : ০১:১৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় ১১ বছর পর আদালত রায় ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক প্রধান আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। অপর এক আসামিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মমিন, যিনি ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের ভাংবাড়ী বগুড়াপাড়া গ্রামের জালাল প্রামাণিকের ছেলে। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৫ সালে ওই কিশোরী ধর্ষণের শিকার হন। ভুক্তভোগীর পরিবার রাণীশংকৈল থানায় মামলা দায়ের করে, পরে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

আদালত দীর্ঘ ১১ বছর ধরে চলা তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রধান আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করে। রায়ের পর সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানান, এ রায় ভুক্তভোগী পরিবারকে ন্যায়বিচার দিয়েছে এবং সমাজে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন