ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জয়পুরহাটে নারী মেট্রোন হত্যার ঘটনায় দারোয়ানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • আপলোড সময় : ০৩:৩২:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • / ২০০ বার পড়া হয়েছে

জয়পুরহাট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রীনিবাসে কর্মরত মেট্রোন সামছুন নাহার হত্যার ঘটনায় দারোয়ান শহিদুল ইসলামকে (৫৪) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১ জুলাই) জয়পুরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. তসরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার একমাত্র আসামি শহিদুল ইসলাম জয়পুরহাট পৌর এলাকার দেবীপুর মহল্লার মৃত ছলিমুদ্দীনের ছেলে। আদালত তাকে ১৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেন, যা অনাদায়ে তিন বছর ২ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডে রূপান্তরিত হবে। রায় ঘোষণার পর পুলিশি পাহারায় তাকে জয়পুরহাট কারাগারে নেওয়া হয়।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১১ নভেম্বর গভীর রাতে শহিদুল ইসলাম সামছুন নাহারকে ডেকে নিয়ে অনৈতিক প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। হত্যার পর শহিদুল নাহারের স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যান এবং তার লাশ কলেজ চত্বরের সেফটি ট্যাঙ্কে ফেলে দেন।

সামছুন নাহারের ভাই ফেরদৌস আলম লুলু ২৫ নভেম্বর জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা করেন। শহিদুল ইসলাম পরে পুলিশে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন, যেখানে তিনি হত্যার বিস্তারিত বর্ণনা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম ২০১০ সালের ৫ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ১৬ বছর পর আদালত এ রায় ঘোষণা করল।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জয়পুরহাটে নারী মেট্রোন হত্যার ঘটনায় দারোয়ানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপলোড সময় : ০৩:৩২:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

জয়পুরহাট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রীনিবাসে কর্মরত মেট্রোন সামছুন নাহার হত্যার ঘটনায় দারোয়ান শহিদুল ইসলামকে (৫৪) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১ জুলাই) জয়পুরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. তসরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার একমাত্র আসামি শহিদুল ইসলাম জয়পুরহাট পৌর এলাকার দেবীপুর মহল্লার মৃত ছলিমুদ্দীনের ছেলে। আদালত তাকে ১৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেন, যা অনাদায়ে তিন বছর ২ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডে রূপান্তরিত হবে। রায় ঘোষণার পর পুলিশি পাহারায় তাকে জয়পুরহাট কারাগারে নেওয়া হয়।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১১ নভেম্বর গভীর রাতে শহিদুল ইসলাম সামছুন নাহারকে ডেকে নিয়ে অনৈতিক প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। হত্যার পর শহিদুল নাহারের স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যান এবং তার লাশ কলেজ চত্বরের সেফটি ট্যাঙ্কে ফেলে দেন।

সামছুন নাহারের ভাই ফেরদৌস আলম লুলু ২৫ নভেম্বর জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা করেন। শহিদুল ইসলাম পরে পুলিশে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন, যেখানে তিনি হত্যার বিস্তারিত বর্ণনা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম ২০১০ সালের ৫ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ১৬ বছর পর আদালত এ রায় ঘোষণা করল।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন